পোস্টগুলি

জানুয়ারি ১২, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Featured Post

যে রাতে মোর দুয়ারগুলি। লেখক কামাল হোসেন

ছবি
লেখক কামাল হোসেন প্রিয় দর্শক আসসালামু আলাইকুম। আমি কামাল হোসেন আপনাদের সামনে একটি বিরহ বিচ্ছেদ গান নিয়ে হাজির হলাম। একজন মানুষের কষ্ট জীবন দুর্বিষহ হয়ে যখন পড়ে তখন চোখে আর কোনো আলো দেখে না। ভালো মানুষের পাশে থাকাটা তখন বেছে নেয়, সেজন্য পরকে আপন করে নেয়। এভাবে আমাদের সমাজে পরোক্ষভাবে একজন আরেকজনের কাছে জড়িয়ে যায়। হোক সে ভালো বা আনন্দ—সেটা কখনো দেখে না, শুধু দেখে তার চোখের পর্দায় যতটুকু আসে ততটুকুই ভালোবাসার লিপসা পড়ে যায়। সেখান থেকেই শুরু হয় দুঃখ আর কষ্ট। আসুন, আমার গানের ভেতরে সেভাবেই প্রকাশ করা হয়েছে। গানটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করবেন। গানের কথাঃ যে রাতে মোর দুয়ারগুলি লিরিক ও সুরকারঃ কামাল হোসেন যে রাতে মোর দুয়ারগুলি ভাঙলো ঘূর্ণিঝড়ে, সে রাতে যে আসলে তুমি আমার ভাঙ্গা ঘরে। সব যে এলোমেলো করে নিভিয়ে দিলে আলো, আধার রাতে তোমার আসা তাও বাসিনু ভালো।। কেমন করে এলে তুমি মোর শূন্য ধারে, একটিবারও বললে ...

দেখতে নদীর ঘাটে।লেখক কামাল হোসেন

ছবি
লেখক: কামাল হোসেন গীতিকার ও সুরকার দীন মাঝি ধরন: আধ্যাত্মিক ও মরমী ভাটিয়ালি গান | রচনা কাল: ১০ অক্টোবর ২০২৩ প্রিয় সুধী ও সংগীতপ্রেমী ভাই-বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে অন্তরের গভীর আধ্যাত্মিক আকুতি ও আবহমান বাংলার চিরচেনা লোকজ লোকগাথা নিয়ে এই মরমী ভাটিয়ালি গানটি রচনা করেছিলাম। আমাদের এই মানবজীবন যেন এক কূলহীন নদী, আর আমাদের এই নশ্বর দেহটি একটি ভঙ্গুর নৌকা। এই ভবসংসারে কত চড়াই-উতরাই পার হয়ে আমাদের পথ চলতে হয়। লিরিকটিতে "দীন মাঝি" বা "পারের নাইয়া" বলতে মূলত সেই পরমেশ্বর বা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শককে বোঝানো হয়েছে, যাঁর দয়া ছাড়া এই উত্তাল জীবন নদী পাড়ি দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। জাগতিক মোহ ও মায়ায় অন্ধ হয়ে আমরা আমাদের জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য হারিয়ে ফেলি, আর দিনশেষে অবুঝ মন সেই পরম মাঝির কৃপা পাওয়ার জন্য নদীর ঘাটে ব্যাকুল হয়ে চাতকের মতো চেয়ে থাকে। আত্মিক আত্মসমর্পণ ও লোকদর্শনের এই মেলবন্ধন আশা করি আপনাদের হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দেবে। ...